স্কোয়াড্রন লিডার জাওয়াদের স্মরণে মিরপুরে এক মিনিট নীরবতা

 প্রকাশ: ১০ মে ২০২৪, ০৭:১৭ অপরাহ্ন   |   খেলাধুলা



চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কর্ণফুলী নদীতে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মারা যান বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার আসীম জাওয়াদ রিফাত। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে আজ বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের ম্যাচ শুরুর আগে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়েছে।


মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শুক্রবার পাঁচ ম্যাচ সিরিজের চতুর্থটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচের আগে শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নিহত পাইলট জাওয়াদের স্মরণে দুই দলের ক্রিকেটাররা সারিবদ্ধ হয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।  


এ বিষয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি ইয়াক-১৩০ প্রশিক্ষণ বিমান নিয়মিত প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক থেকে উড্ডয়নের পর প্রশিক্ষণ শেষে ফেরার সময় কর্ণফুলী নদীর মোহনার কাছে দুর্ঘটনায় পতিত হয়।  


দুর্ঘটনার পর বৈমানিকদ্বয় উইং কমান্ডার মো. সোহান হাসান খাঁন এবং স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদ জরুরি প্যারাসুট দিয়ে বিমান থেকে নদীতে অবতরণ করেন। দুইজন বৈমানিককে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর উদ্ধারকারী দল এবং স্থানীয় জেলেদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিএনএস পতেঙ্গাতে নেওয়া হয়। চিকিৎসক সর্বাত্মক প্রচেষ্টার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


আইএসপিআর থেকে বলা হয়, বিমানটিতে আগুন ধরে যাওয়ার পর বড় ধরনের ক্ষতি এড়াতে বৈমানিকদ্বয় অত্যন্ত সাহসিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে সেটিকে বিমানবন্দরের নিকট ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে জনবিরল এলাকায় (নদীতে) নিয়ে যেতে সক্ষম হন।


স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদকে মানিকগঞ্জ শহরের সেওতা কবরস্থানে চিরসমাহিত করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ মে) বিকেল ৩টার দিকে ‘সোর্ড অব অনার’ সম্মাননাপ্রাপ্ত জাওয়াদকে ‘গার্ড অব অনার’ দিয়ে দাফন করা হয়।