‘বাল্যবিবাহ রোধে অভিভাবকদেরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে’

 প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন   |   সোস্যাল মিডিয়া



করোনাকালে অবহেলিত অবস্থায় শিশুরা। তার মধ্যে দেশের কন্যাশিশুরা আরো নাজুক অবস্থায়। ফলে তারা বাল্যবিবাহের শিকার হয়েছে। বাল্যবিবাহ একটা আগুন, এতে কোনোভাবেই ঘি ঢালা যাবে না। করোনা ভাইরাসের টিকার পাশাপাশি কন্যাশিশুদের জীবন রক্ষায় বাল্যবিবাহ বন্ধে ব্যাপকভাবে উদ্যোগী হতে হবে।

‘করোনায় বাল্যবিবাহ বৃদ্ধির কারণ’ বিষয়ক ছায়া সংসদ বির্তক প্রতিযোগিতায় বক্তারা এ সব কথা বলেন। শনিবার (৯ অক্টোবর) এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হয় এই বির্তক প্রতিযোগিতা। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সহযোগিতায় জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি যৌথভাবে এই বির্তক প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অভিভাবকদেরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, বাল্যবিবাহ শুধু বন্ধ করলেই হবে না, বাল্যবিবাহ ঠেকানো মেয়েটি পরবর্তী সময়ে কেমন আছে? ছায়া সংসদে বিজয়ী দল- ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের চাইল্ড অ্যান্ড ইয়ুথ ফোরামের কিশোর-কিশোরীরা। ছায়া সংসদের সরকারি দলে ছিলেন ওয়াইডাব্লিউসিএ উচ্চমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।